Site icon Decision Maker

আইপিও কোটায়ও পরিবর্তন আসবে

প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) শেয়ার বরাদ্দে কোটা প্রথাও পরিবর্তনের সিন্ধান্ত পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

সোমবার ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জর প্রতিনিধি, বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংক অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমবিএ), ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন (ডিবিএ) এবং পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্ট অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গরা সাথে জরুরি বৈঠক শেষে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বিএসইসি সূত্রে জানা যায়, ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে আইপিওতে যোগ্য বিনিয়োগকারীদের কোটা কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছেন বিএসইসি চেয়ারম্যান। এক্ষেত্রে ফিক্সড প্রাইস মেথডে যোগ্য বিনিয়োগকারীদের কোটা ৫০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৪০ শতাংশ এবং বুক বিল্ডিং মেথডে ৬০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫০ শতাংশ করা হবে। এছাড়া পুঁজিবাজারে সক্রিয় নয় এমন ডিলার, প্রভিডেন্ট ফান্ড, মার্চেন্ট ব্যাংকস ইত্যাদিকে যোগ্য বিনিয়োগকারীর তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হবে।

এছাড়া বিতর্কিত প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) পূর্ব প্লেসমেন্টে শেয়ার ইস্যু (ক্যাপিটাল রেইজিং) আইন বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থাটি। এর ফলে প্লেসমেন্টে শেয়ার ইস্যু করা বন্ধ হবে। এছাড়া আইপিও পূর্ব সকল শেয়ারে ৩ বছর লক-ইন (বিক্রয় অযোগ্য) রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থাটি । যা অতি দ্রুত বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন কমিশনের চেয়ারম্যান ড. এম খায়রুল হোসেন।

সভায় বিএসইসি চেয়ারম্যান বলেন, প্লেসমেন্ট আইন বাতিল করা হবে। আগামিতে বিএসইসির অনুমোদন নিয়ে প্লেসমেন্টে কোন শেয়ার ইস্যু করার সুযোগ থাকবে না। একইসঙ্গে আইপিওকালীন সকল শেয়ারে ৩ বছর লক-ইন থাকবে। যা প্রসপেক্টাসের সংক্ষিপ্ত সংস্করন প্রকাশের দিনের পরিবর্তে লেনদেন শুরুর দিন থেকে গণনা করা হবে। এছাড়া আইপিওতে ফিক্সড প্রাইস মেথডে কমপক্ষে ৫০ কোটি টাকা ও বুক বিল্ডিং মেথডে ১০০ কোটি টাকা উত্তোলন করতে হবে।

তিনি জানান, পুঁজিবাজারে ব্যাংকের বিনিয়োগ সীমা নিয়ে যে সমস্যা আছে, তা গণভবনে আলোচনা হয়েছে। বিষয়টি সমাধান করবেন বলে গভর্ণর জানিয়েছেন।

এদিকে বাজেটে ডিভিডেন্ডর ক্ষেত্রে দ্বৈত কর প্রত্যাহার, স্ট্যাম্প ডিউটি কমানোসহ কিছু প্রণোদনা থাকবে বলে জানান বিএসইসি চেয়ারম্যান।

উদ্যোক্তা/পরিচালকদের এককভাবে ২ শতাংশ ও সম্মিলিতভাবে ৩০ শতাংশ শেয়ার ধারন নিয়ে কিছু করা যায় কি না-তা নিয়ে কমিশন চিন্তা ভাবনা করছে বলে জানিয়েছেন খায়রুল হোসেন।

Exit mobile version